মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কেন শিখবো? – SoftenextIT Academy

Blog

মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কেন শিখবো?

বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ব্যাবহার কারির সংখ্যা প্রচুর। শেষ কয়েক বছর ধরে মোবাইল ব্যাবহার কারির হার বেড়েছে তড়িৎ গতিতে। মোবাইলের সহজলভ্যতা এবং মোবাইল ব্যাবহারকারির সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে বিশ্ব বাজারে মোবাইল অ্যাপ এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

তাছাড়া মানুষ এখন ল্যাপটপ ব্যাবহার এর থেকেও মোবাইল বেশি ব্যাবহার করতে বেশি পছন্দ করে। যার ফলস্বরূপ অ্যাপ এর বাজারেও এক যুগান্তকারি পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। মানুষ এখন ওয়েবসাইটের পরিবর্তে মোবাইল অ্যাপ ব্যাবহার করতে বেশি পছন্দ করে। ইতি মধ্যে বিশ্বের বড় বড় সব কোম্পানি গুলো তাদের ব্যবসা কে অ্যাপ এর মাধ্যমে শুরু করে দিয়েছে। মোবাইল অ্যাপ এর ব্যাবহার বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বিশ্বে বড় বড় বিজ্ঞাপন কোম্পানি গুলো মোবাইল বিজ্ঞাপনের জন্য বিভিন্ন প্লাটফর্ম তৈরি করেছে।

বর্তমান সময়ে মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ইন্ড্রাস্ট্রি সবচেয়ে লাভজনক ইন্ড্রাস্ট্রি। এর আগে ছিল কম্পিউটার সফটওয়ার এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। এ স্থান দুটি দখল করে নিচ্ছে মোবাইল অ্যাপ। এছাড়া আগের সফটওয়ার এবং ওয়েবসাইট গুলো প্রত্যেকটির এখন একটি করে মোবাইল অ্যাপ পাওয়া যাচ্ছে। জব মার্কেটেও অনেক পোস্ট খালি রয়েছে। দরকার দক্ষ ডেভেলপার। জনপ্রিয় একটি অ্যাপ তৈরি করতে পারলে সারা জীবন আর কিছু করতে হবে না। মানে আর্নিং এর কোন চিন্তা করতে হবে না। অন্য কোন ক্রিয়েটিভ কোন কাজে নিজের সময় গুলো কাজে লাগানো যাবে।

মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শিখে আপনি চাইলে ঘরে বসে ভালো আর্নিং জেনারেট করতে পারবেন। ঘরে বসে ফ্রিলান্সিং ওয়েব সাইট গুলোতে বিভিন্ন বায়ারদের কোম্পানির জন্য অ্যাপ বানিয়ে মাসে ভালো একটি ইনকাম করতে পারবেন। ফ্রিলানিং এর জন্য ফাইভার, ফ্রিলান্সার, আপ-উয়ার্ক এ সকল ওয়েব সাইটে কাজ করে নিজের ভবিষ্যৎ অনেক আলোকিত করতে পারবেন।

এতক্ষন তো আয় বা টাকার কথাই বলছি। মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কি সন্মানের কাজ নয়? মানে প্রোগ্রামিং কি সন্মানের নয় কি?? এখনকার দিনে একজন প্রোগ্রামারকে তো সবাই সন্মানের চোখেই দেখে, তাই না??

জিনিস গুলো যথেষ্ট ক্রিয়েটিভ। যারা জীবন এ বিষয় গুলো নিয়ে পড়ে থাকা যাবে। কোন বোরনেস আসবে না। দিন দিন নতুন কিছু জানা যাবে।

মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করতে গেলে কি কি করতে হবে তাইতো?

আপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এর জন্য জানতে হবে কি ভাবে অ্যাপ গুলো তৈরি করে। তবে তার আগে জানতে হবে কোন কোন প্লাটফরমের জন্য অ্যাপ তৈরি করবে ?

অনেক গুলো মোবাইল ওএস রয়েছে, যেমন iOS, Android, Windows Phone ইত্যাদি। এ গুলো এক একটার জন্য এক এক ধরনের ডিভাইস লাগে। তেমনি এগুলোর জন্য অ্যাপ তৈরি করার জন্য লাগে ভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। যেমন iOS এর জন্য অ্যাপ তৈরি করতে জানা লাগে Object C, Android এর জন্য অ্যাপ তৈরি করতে জানা লাগে Java, Windows Phone এর জন্য C# .  নিজ নিজ প্লাটফরমের প্রোগ্রামিং ল্যাগুয়েজ ব্যবহার করে তৈরি কৃত অ্যাপ গুলোকে ন্যাটিভ অ্যাপ বলে। ন্যাটিভ অ্যাপ গুলো তৈরি করার জন্য সব গুলো প্লাটফরমের নিজস্ব integrated development environment [IDE] রয়েছে।

ঐ IDE ব্যবহার করে তৈরি করতে হয় অ্যাপ গুলো। অ্যাপ গুলো তৈরি করার পর ঠিক মত কাজ করছে কিনা, তার জন্য IDE এর সাথে রয়েছে ভার্চুয়াল ডিভাইস। যাদের বলে ইমিউলেটর। যেমন এন্ড্রয়েড কেউ যদি অ্যান্ড্রয়েড  এর জন্য একটি অ্যাপ তৈরি করে, যদি ডেভেলপারের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস নাও থাকে, তাহলে সে ইমিউলেটরে তৈরিকৃত অ্যাপটি টেস্ট করে নিতে পারবে।  যা সত্যিকারের ডিভাইসের মত কাজ করে।

আর বিশ্বের বাজারে প্রায় ৮০ভাগ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন দখন করে আছে এন্ড্রোয়েড অ্যাপ। এ বাজার অনেক বড়। আপনার চিন্তার বাহিরে। যুক্তরাষ্ট্রে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, পৃথিবীর একটি স্মার্ট চাকুরির মধ্যে অ্যাপ ডেভেলপার অন্যতম। আর এসকল অ্যাপ ডেভেলপারদের বেতন হাই লেভেল হয়ে থাকে।

আর আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন সফল এন্ড্রোয়েড অ্যাপ ডেভেলপার……